Thursday, June 4, 2026
Homeখবরদেশলাদাখের নিয়োমা এয়ারবেসে সামরিক শক্তি বাড়াল ভারত!

লাদাখের নিয়োমা এয়ারবেসে সামরিক শক্তি বাড়াল ভারত!

Nyoma Airbase Near India China Ladakh Border​: লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC) বরাবর লাদাখের পূর্বাঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য ভারত নিয়োমা এয়ারবেসকে (Nyoma airbase) সক্রিয় করেছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের মেচুকার পার্বত্য অঞ্চলে ‘ইস্টার্ন প্রচণ্ড প্রহার’ (Eastern Prachand Prahar) নামক একটি সামরিক মহড়াও চলছে।

ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে ভারতের নেওয়া এই পদক্ষেপের একটি বড় ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৩৪,০০০ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ LAC সীমান্তের বিপরীতে এটি ঘটছে, যা চীনা সীমান্তে ভারতের সামরিক প্রস্তুতিকে প্রতিফলিত করে।

একটি সংবাদপত্রের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, দুই দেশের মধ্যেকার কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। সামরিক ক্ষেত্রে আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপগুলোও ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে, তবে বাস্তব পরিস্থিতি দেখলে এখনও আস্থার অভাব স্পষ্ট। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ২০২০ সাল থেকে শুরু করে রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে চীনের বেশ কয়েকটি অনুপ্রবেশের ঘটনার কারণে বিগত ছয় বছর ধরে সৈন্যদের অগ্রবর্তী মোতায়েন (orward deployments of troops) বজায় রাখা হয়েছে।

নিয়োমা এয়ারবেস উন্নীতকরণ (Nyoma Airbase Near India China Ladakh Border)

এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং (AP Singh) C-130J ‘সুপার হারকিউলিস’ (C-130J ‘Super Hercules’) ব্যবহার করে নিওমা এয়ারবেসে মুধ এয়ারফিল্ডের উদ্বোধন করেন। মুধ এয়ারবেসটি ১৩,৭১০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ বিমানঘাঁটিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই অনুষ্ঠানে ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের চিফ এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্রও (Jeetendra Mishra) এপি সিং-এর সাথে ছিলেন।

উল্লেখ্য, বিমানবন্দরটি ২৩০ কোটি টাকা খরচ করে ব্যাপকভাবে সংস্কার করা হয়েছে। এই সংস্কার কাজের মধ্যে রয়েছে রয়েছে আসল রানওয়েকে একটি ২.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘রিজিড পেভমেন্ট’ রানওয়েতে সম্প্রসারণ, একটি নতুন ATC (এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল)কমপ্লেক্স, হ্যাঙ্গার, ক্র্যাশ বে এবং থাকার ব্যবস্থা।

মুধ বিমান ঘাঁটি বর্তমানে ভারী পরিবহন বিমান এবং যুদ্ধবিমান উভয়ের কার্যক্রম পরিচালনা ও টিকিয়ে রাখতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম। প্রাথমিকভাবে, এটি পূর্ব লাদাখের প্যাংগং সো, ডেমচক এবং ডেপসাংয়ের মত অঞ্চলগুলোতে দ্রুত সেনা, অস্ত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করতে সাহায্য করবে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৬ সালের প্রথম দিকে এই বিমান ঘাঁটি যুদ্ধবিমানের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে, যদিও এর উচ্চতা একটি সীমাবদ্ধতা হিসেবে কাজ করবে।

Mimi Banerjee
Mimi Banerjee
Passionate content writer with expertise in a variety of areas, including health, environment, and lifestyle, to name a few. Seeking to utilize my writing experience as a Content Writer for an organization that fosters innovative thoughts.
RELATED ARTICLES

Most Popular