Electronic Toll Plaza with RFID FASTag & ANPR Camera: ন্যাশনাল হাইওয়েগুলিতে টোল দেওয়ার ঝামেলা খুব শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে। টোল প্লাজায় দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষারত যাত্রীদের জন্য এটি একটি বড় স্বস্তির খবর। সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করি ঘোষণা করেছেন যে আগামী বছর থেকে সারাদেশে টোল বুথগুলো তুলে দিয়ে একটি আধুনিক ইলেকট্রনিক টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এই পরিবর্তনের ফলে গাড়িগুলোকে আর কোথাও থামতে হবে না এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায় করা হবে, যা ভ্রমণকে দ্রুত, নিরাপদ এবং আরও আরামদায়ক করে তুলবে।
আগে, টোল প্লাজাগুলোতে প্রায়ই যানবাহনের লম্বা লাইন দেখা যেত। বিশেষ করে ব্যস্ত রাস্তাগুলোতে, গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকত। এতে সময় নষ্ট হতো, জ্বালানি খরচ বাড়তো এবং দূষণও বৃদ্ধি পেত। এই সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য সরকার এমন একটি পদ্ধতি চালু করছে, যেখানে টোল পরিশোধ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং বাধাহীনভাবে করা যাবে।
টোল ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করবে? Electronic Toll Plaza with RFID FASTag & ANPR Camera
সরকার একটি বহু-লেন বিশিষ্ট, অবাধ ইলেকট্রনিক টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করছে। এই ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিবন্ধকতা-বিহীন হবে এবং এখানে দুটি প্রধান প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে- একটি হল RFID-ভিত্তিক FASTag এবং অন্যটি ANPR ক্যামেরা। FASTag গাড়ির উইন্ডশিল্ডে লাগানো থাকবে এবং টোল স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর সাথে যুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে। টোল আদায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ANPR ক্যামেরাগুলো গাড়ির নম্বর প্লেট স্ক্যান করবে। কোনও কারণে FASTag কাজ না করলেও, ক্যামেরাগুলো গাড়ি শনাক্ত করবে এবং টোল কেটে নেওয়া হবে।
প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক পর্যায়
নতুন এই সিস্টেমটিকে NPCI-এর NETC প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করা হবে, যা সারা দেশে টোল পেমেন্টের পদ্ধতি পরিচালনা করে। এই ইলেকট্রনিক সিস্টেমটি প্রথমিকভাবে ১০টি টোল প্লাজাতে পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং এর ফলাফল সন্তোষজনক ছিল। বর্তমানে, বাছাই করা নতুন কিছু জায়গায় এটি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর, এই প্রযুক্তি পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে চালু করা হবে।
নতুন টোল ব্যবস্থায় ভ্রমণকারীদের জন্য কী সুবিধা পাওয়া যাবে?
- নতুন টোল ব্যবস্থা ভ্রমণকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এতে গাড়ি থামানোর দরকার হবে না, ফলে জ্বালানি এবং সময় দুটোই বাঁচবে।
- এর কারণে টোল প্লাজার যানজট, হর্ন বাজানো এবং দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা দূর হবে।
- হাইওয়তে যানবাহন চলাচল আরও ভালোভাবে চলবে এবং ভ্রমণ দ্রুত, শান্তিপূর্ণ ও আরও আরামদায়ক হবে।
উল্লেখ্য, দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন একটি বড় পদক্ষেপ।
