Discover the future tallest building in the world: বিশ্বের বড় শহরগুলো আজ উচ্চতায় প্রতিযোগিতা করছে। দেশগুলো চাইছে এমন বিল্ডিং তৈরি করতে, যা আধুনিক স্থাপত্যের প্রতীক হবে। নিচে দেওয়া হল বিশ্বের কয়েকটি প্রস্তাবিত আকাশচুম্বী ভবনের তথ্য, যেগুলো সম্পূর্ণ হলে মানুষের বসবাস ও কাজের ধারণা বদলে যাবে।
রাইজ টাওয়ার, রিয়াদ, সৌদি আরব
রাইজ টাওয়ার সম্পূর্ণ হলে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন। এর পরিকল্পিত উচ্চতা প্রায় ২,০০০ মিটার। ৬৭৮ তলা থাকবে। আনুমানিক খরচ প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। টাওয়ারে থাকবে অফিস, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং পর্যটন কেন্দ্র। এই প্রকল্প সৌদি আরবের আধুনিক উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে তৈরি হচ্ছে।
আজারবাইজান টাওয়ার, বাকু, আজারবাইজান-Discover the future tallest building in the world
এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন নির্মাণ করা। পরিকল্পিত উচ্চতা ছিল ১,০৫১ মিটার। ১৮৯ তলা থাকার কথা ছিল। ভবনটি কাস্পিয়ান সাগরের তীরে তৈরি হওয়ার কথা ছিল। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং বিনিয়োগ ঝুঁকির কারণে প্রকল্পটি স্থগিত হয়। এটি দেখিয়েছে, বড় প্রকল্পে আর্থিক পরিকল্পনা আগে নিশ্চিত করা কতটা জরুরি।
ফিনিক্স টাওয়ার, উহান, চিন -Discover the future tallest building in the world
ফিনিক্স টাওয়ার প্রকল্পটি দু’ টি টাওয়ার নিয়ে গঠিত হওয়ার কথা ছিল। প্রতিটি টাওয়ারের উচ্চতা প্রায় ১,০০০ মিটার। প্রকল্পে সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। এই ভবনকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব করার জন্য বিশেষ প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি দেখিয়েছে, উচ্চ ভবনও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা যায়।
সিগনেচার টাওয়ার, জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
সিগনেচার টাওয়ারের পরিকল্পিত উচ্চতা ছিল ৬৩৮ মিটার। এতে ১১১ তলা থাকার কথা ছিল। টাওয়ারটি অফিস, হোটেল এবং শপিং এরিয়া নিয়ে তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় বাজারে অফিস স্পেসের চাহিদা কমে যাওয়ায় প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। এটি প্রমাণ করেছে, যে কোনও বড় স্থাপনা শুরু করার আগে বাজারের চাহিদা বোঝা জরুরি।
অন্যান্য প্রস্তাবিত ভবন
বিভিন্ন দেশে আরও কয়েকটি উচ্চ ভবন পরিকল্পনায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুবাই, সিউল ও কুয়ালালামপুরের প্রজেক্ট। বেশিরভাগই মিক্সড-ইউজ টাওয়ার, যেখানে অফিস, হোটেল, ও আবাসিক অংশ থাকবে। উন্নত নির্মাণ প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব ডিজাইনই তাদের মূল লক্ষ্য।