Home খবর বাংলায় মৃত ভোটার প্রায় ৪০ লক্ষ! SIR করে বড় ফাঁস কমিশনের

বাংলায় মৃত ভোটার প্রায় ৪০ লক্ষ! SIR করে বড় ফাঁস কমিশনের

Dead voters electoral roll West Bengal​ challenge
Dead voters electoral roll West Bengal​ challenge

Dead voters electoral roll West Bengal​ challenge: বাংলাকে নিয়ে বিপাকে পড়তে পারে নির্বাচন কমিশন। বাংলায় জাল বিছিয়েছে ভুতুড়ে ভোটাররা। এদিকে গত তিন দিন ধরে নির্বাচন কমিশনের একটি দল জেলা সফর করছে।  এমন সময় ২০২৫ সালে বাংলার বিদ্যমান ভোটার তালিকায় বিপুল সংখ্যক মৃত ভোটারের নাম থাকা স্বাভাবিকভাবেই কমিশনের জন্য উদ্বেগের কারণ। খবর অনুযায়ী, প্রায় ৪০ লক্ষ মৃত ভোটার থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। 

চিন্তায় নির্বাচন কমিশন। Dead voters electoral roll West Bengal​ challenge

সূত্রের খবর, আসল গোলযোগ ঘটেছে বুথেই। ভোটার মারা যাওয়া সত্ত্বেও, বছরের বছরের ধরে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি বলেই জানতে পেরেছে কমিশন দল। গণনার ফর্ম বিতরণের সময়, বিএলওরা দেখতে পেয়েছেন যে একটি বুথে মৃত ভোটারের সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ এরও বেশি।

দাবি উঠেছে, বিএলওরা সঠিকভাবে তালিকা আপডেট করেননি। এখন, যেহেতু সরকারি কর্মচারীদের এসআইআর-এর আগে বিএলও হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে, তাই আসল ছবি সামনে বেরিয়ে আসছে। 

মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক, আবার বুধবার নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদে বৈঠক এবং বৃহস্পতিবার মালদায় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর রীতিমত উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন তাঁরা। 

জানিয়ে রাখি, এই বছরের শুরুতে নদীয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের সময় ভোটার তালিকায় বিপুল সংখ্যক মৃত ভোটারের নাম প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল। কালীগঞ্জের ২.৫০ লক্ষ ভোটারের প্রায় ৩.২ শতাংশ মৃত অথবা স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়। ঠিক একইভাবে,  এখন মনে হচ্ছে যে মৃত ভোটারদের সংখ্যা, যাদের নাম এখনও বিদ্যমান তালিকায় রয়েছে, তাদের সংখ্যা ৪০ লক্ষ ছুঁতে পারে। আর যদি পরবর্তীতে, এই নামগুলি খতিয়ে দেখা হয়, তাহলে খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই কমপক্ষে ৬০ লক্ষ নাম মুছে ফেলা হতে পারে। 

প্রসঙ্গত, এমন পরিস্থিতিতে, ইসি কর্মকর্তারা এটা নিশ্চিত করতে বলেছেন যে এই ধরনের সমস্ত মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে যাতে বাদ দেওয়া হয়। এর দরুণ শুমাত্র যোগ্য ভোটারদের নামই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আর সেটাই সুস্থ নির্বাচনের দাবি। 

Exit mobile version