Check out PM Kisan Yojana Documents Required: প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা (PM-Kisan)-এর ২২তম কিস্তির জন্য অপেক্ষা করা কৃষকদের জন্য জরুরি খবর রয়েছে। আপনি যদি এখনও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন না করে থাকেন, তাহলে আপনার টাকা আটকে যেতে পারে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কৃষকদের দ্রুত ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া, এই প্রকল্পের অধীনে বার্ষিক ৬,০০০ টাকা পেতে হলে, কৃষকদের একটি বৈধ কৃষক আইডি থাকতে হবে। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখানে দেওয়া হল।
PM Kisan যোজনা সম্পর্কিত e-KYC প্রক্রিয়াটি কী?
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সুবিধাভোগী কৃষকরা তিনটি উপায়ে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন যেমন, ওটিপি-ভিত্তিক যাচাইকরণ, ফেস অথেনটিকেশন অথবা বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ। যেসব কৃষক ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন না, তারা কিস্তি পেতে বিলম্বের শিকার হতে পারেন অথবা তাদের কিস্তি আটকে যেতে পারে।
OTP-ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি করার জন্য, কৃষকদের তাদের আধারের সাথে একটি মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করা থাকতে হবে। এর জন্য, PM Kisan-এর অফিসিয়াল পোর্টালে (https://pmkisan.gov.in/) যান। এরপর, e-KYC অপশনে গিয়ে আপনার আধার নম্বরটি প্রবেশ করান। তারপর আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে পাঠানো OTP ব্যবহার করে যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন।
এখন কৃষক পরিচয়পত্রও (Farmer ID) প্রয়োজন– Check out PM Kisan Yojana Documents Required
সরকার জানিয়েছে যে ই-কেওয়াইসির সাথে এখন কৃষক আইডি থাকা বাধ্যতামূলক। যেসব কৃষকের কৃষক আইডি তাদের পিএম কিষাণ অ্যাকাউন্টের সাথে লিঙ্ক করা নেই, তাদের পরবর্তী কিস্তি আটকে রাখা হতে পারে। জানা যাচ্ছে যে, পরবর্তী কিস্তির আগে এই শর্ত কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হতে পারে।
কৃষকদের যত দ্রুত সম্ভব তাদের পিএম কিষাণ অ্যাকাউন্টের স্থিতি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সঠিক আছে কিনা এবং কৃষক আইডি সঠিক আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তথ্যে ভুল থাকলে পরবর্তী কিস্তি বিলম্বিত হতে পারে, এমনকি বন্ধও হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনা কী?
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা হল কৃষকদের আর্থিক সহায়তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এই যোজনার আওতায়, যোগ্য কৃষক পরিবারগুলি বার্ষিক মোট ৬০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে। এই অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিনটি সমান কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে স্থানান্তরিত করা হয়। এই যোজনাটি ১ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে শুরু হয়েছিল এবং এর সম্পূর্ণ খরচ কেন্দ্রীয় সরকার বহন করে। রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে।
২২তম কিস্তির টাকা কবে আসতে পারে?
কৃষকরা ২০০০ টাকার ২২তম কিস্তির অপেক্ষায় আছেন, যদিও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এর তারিখ ঘোষণা করেনি। সাধারণত, প্রতি চার মাস অন্তর এই টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। সূত্র অনুযায়ী, পরবর্তী কিস্তি ফেব্রুয়ারিতে আসতে পারে।