Home লাইফস্টাইল বিনোদন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত এই লাইটহাউস!

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত এই লাইটহাউস!

Which Is The Most Dangerous Place In The World
Which Is The Most Dangerous Place In The World

Which Is The Most Dangerous Place In The World: ​পৃথিবীতে এমন অনেক ভয়ঙ্কর স্থান আছে যেগুলোর কথা শুনলে শরীর হিম হয়ে যায়। কিন্তু এমন কোনো স্থানের কথা কি আপনি শুনেছেন, যা উত্তাল সমুদ্রের মাঝে একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এবং যেখানে যাওয়ার একমাত্র উপায় হল হেলিকপ্টার?

আইসল্যান্ডের উপকূলে, আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত ত্রিদ্রাঙ্গভিতি বাতিঘর বা Thridrangaviti Lighthouse-কে পৃথিবীর সবচেয়ে বিপদজনক স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়।

ত্রিদ্রাঙ্গভিতি লাইটহাউস কেন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান?

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০ মিটার বা ১৩০ ফুট উচ্চতায় একটি খাড়া পাথরের উপরে এই বাতিঘরটি অবস্থিত। এর চূড়ায় পৌঁছানোর জন্য কোনো হাঁটাপথ বা সিঁড়ি নেই। এএখানে পৌঁছানোর একমাত্র উপায় হলো, একজন দক্ষ পর্বতারোহীর মতো এই বিশাল পাথর বেয়ে ওঠা, অথবা হেলিকপ্টারে করে যাওয়া। সামান্য ভুল হলেই, নিচে থাকা ধারালো পাথরের উপরে পড়ে নিশ্চিত মৃত্যু।

লাইটহাউসটি কে নির্মাণ করেছিলেন?

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, ১৯৩৮ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে একদল দক্ষ পর্বতারোহী এই বাতিঘরটি নির্মাণ করেছিলেন। এই প্রকৌশলগত বিস্ময়টি তৈরি করার জন্য তারা সমুদ্রের উঁচু চূড়াগুলোতে আরোহণ করেছিলেন। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এটি হেলিকপ্টার আবিষ্কারের আগের ঘটনা, তাই তখন ওই চূড়ায় পৌঁছানোর একমাত্র উপায় ছিল এই বিশাল পাথরের উপর চড়া।

অভিজ্ঞ পর্বতারোহীরা নির্মাণসামগ্রী চূড়া পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন এবং এই কঠিন কাজটি সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লেগেছিল। ত্রিদ্রাঙ্গভিতি বাতিঘরটি আইসল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল থেকে ৪.৫ মাইল (প্রায় ৭.২ কিমি) দূরে থ্রিডা রঙ্গর সি স্ট্যাকস (Thridarangar sea stacks)-এর উপরে অবস্থিত।

কিভাবে এই লাইটহাউসে পৌঁছনো যায়?

থ্রিডা রঙ্গর বাতিঘরে যাওয়ার একমাত্র উপায় হল পাথরের উপরে আরোহণ করা অথবা ১৯৫০ সালে চূড়ায় নির্মিত হেলিপ্যাডে হেলিকপ্টারে চড়ে যাওয়া। যেহেতু চূড়ায় পৌঁছানোর জন্য কোনো রাস্তা নেই, তাই পায়ে হেঁটে বা নৌকায় করে এই স্থানে যাওয়া যায় না।

প্রসঙ্গত, সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে এটিকে প্রায়শই বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন বাতিঘর বলা হয়।

উল্লেখ্য, এই কাঠামোতে একটি সাদা কংক্রিটের কুঁড়েঘরের উপরে একটি লাল ছাদ রয়েছে এবং এটিকে ১৯৯০ সালে সৌর-চালিত বাতিঘরে উন্নীত করা হয়।

Exit mobile version