Top invented various musical instruments in India: ঐতিহাসিক ভারত বিশ্বকে অনেক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার শিখিয়েছে। এক-দুই-তিন হয়, ধ্রুপদী সংগীতের পৃষ্টপোষক এ দেশ অজস্র বাদ্যযন্ত্র তৈরি করেছে। কাঠ, বাঁশ, ধাতু এবং পশুর চামড়া দিয়ে তৈরী হয়েছে এই সুরের হাতিয়ার। তাদের সুর ও গায়কীর কণ্ঠস্বর অনুভূতির জন্ম দিয়েছে। চলুন আজ জেনে নিই ভারতের সেই ১০ বাদ্যযন্ত্র কোনগুলো, যা আজও জনপ্রিয়!
ভারতে আবিষ্কৃত সেরা ১০ বাদ্যযন্ত্রের তালিকা। Top invented various musical instruments in india
| বাদ্যযন্ত্রের নাম | এগুলোর ধরণ | কোথায় আবিষ্কৃত | কীভাবে ব্যবহার্য |
| সেতার | স্ট্রিং | উত্তর ভারত | ক্লাসিক্যাল, ফিউশন |
| তবলা | পারকাশন | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
| বীণা | স্ট্রিং | দক্ষিণ ভারত | ধ্রুপদী |
| সরোদ | স্ট্রিং | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
| শেহনাই | বাতাস | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
| মৃদঙ্গম | পারকাশন | দক্ষিণ ভারত | ধ্রুপদী |
| সন্তুর | স্ট্রিং | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী, লোকগীতি |
| বাঁশি | বাতাস | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী, লোকগীতি |
| সারঙ্গি | স্ট্রিং | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
| হারমোনিয়াম | চাবি/রিড | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী, লোকগীতি |
| সুরবাহার | স্ট্রিং | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
| ঘাটম | পারকাশন | দক্ষিণ ভারত | ধ্রুপদী, লোকগীতি |
| একতারা | স্ট্রিং | প্যান-ইন্ডিয়া | লোকগীতি, ভক্তিমূলক গান |
| রুদ্র বীণা | স্ট্রিং | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
| পাখাওয়াজ | পারকাশন | উত্তর ভারত | ধ্রুপদী |
১. সেতার
এই তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র রাগ ও সুরেলা শব্দ তৈরি করে। তার টেনে, ধাতব পিক দিয়ে এটি বাজানো হয়।
২. তবলা
ধ্রুপদী এবং জনপ্রিয় ভারতীয় সঙ্গীতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত তবলা। এর ছোট ড্রামটিকে দয়ান বলা হয় এবং বৃহত্তর ড্রামকে বায়ান বলা হয়। তবলা বাজানোর জন্য আঙুলে ছন্দ প্রয়োজন।
৩. বীণা
মূলত দক্ষিণ ভারতীয় সঙ্গীতে বিখ্যাত বীণা। দেবী সরস্বতীর হাতে বীণা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এটি জ্ঞান ও শিল্পের প্রতীক হিসাবে বিশ্বাস করা হয়।
৪. সরোদ
সঙ্গীতজ্ঞরা প্লেকট্রাম বা আঙুল দিয়ে সরোদ বাজান। এর শিকড় মূলত আফগানিস্তানে থাকলেও ভারতে এর বিকাশ।
৫. শেহনাই
উত্তর ভারতে বিয়ে, অনুষ্ঠান এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাজানো হয়। এর মৃদু এবং মিষ্টি শব্দ শুভ অনুষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত। ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খান কাঠ, ধাতব চাবি এবং একটি নলের ডগা দিয়ে তৈরি শেহনাইকে বিশ্ব মঞ্চে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন।
৬. মৃদঙ্গম
মূলত দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক সঙ্গীতে ব্যবহৃত দ্বিমুখী ঢোল হল মৃদঙ্গম। কাঠ এবং পশুর চামড়া দিয়ে তৈ এটি খাদ তীক্ষ্ণ শব্দ উৎপন্ন করে। হাতের তালু, আঙুল এবং ব্যবহার করে বিভিন্ন সুর তৈরি করেন বাদকরা।
৭. সন্তুর
কাশ্মীরি এবং উত্তর ভারতীয় সঙ্গীতে এই হাতুড়িযুক্ত ডালসিমারের উল্লেখ রয়েছে। কাঠের ফ্রেমের উপর থাকা তার বাজানোর জন্য ছোট কাঠের হাতুড়ি ব্যবহৃত হয়। পণ্ডিত শিবকুমার শর্মার কারণে সন্তুর আজ জনপ্রিয়।
৮. বাঁশি
ভারত জুড়ে ধ্রুপদী এবং লোকসঙ্গীতের বাঁশি মোহময় সুর এবং রাগের জন্য পরিচিত। হিন্দু পুরাণে, ভগবান কৃষ্ণের বাঁশির উল্লেখ রয়েছে।
৯. সারঙ্গি
ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতে পাওয়া একটি বাঁকা তারের বাদ্যযন্ত্র সারঙ্গি ধনুক ব্যবহার করে বাজানো হয়। এক্ষেত্রে গিটারের মতোই আঙ্গুল দিয়ে তারগুলি টিপে বিভিন্ন সুর তৈরি করা যায়।
১০. হারমোনিয়াম
ধ্রুপদী এবং লোকসঙ্গীতে হারমোনিয়াম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সঙ্গীতজ্ঞরা এক হাতে চাবি বাজান এবং অন্য হাতে হাপর বাজান। হারমোনিয়াম সুর এবং স্বর উভয়ই তৈরি করতে পারে।
