The EPF pension calculator and Eligibility rules: মাসে মাসে বেতন পান আপনি! তাহলে হয়ত Employees’ Provident Fund Organisation (EPFO) কী, তা জানেন। এখানে আপনার এবং আপনাকে যিনি নিয়োগ করেছেন, তাঁর অবদান জমা হয়। তা সুদে বাড়ে। তারপর অবসর নিলে বা চাকরিটি ছেড়ে দিলে এই টাকা তুলেও নিতে পারেন। কিন্তু জানেন, এই EPFOর ভেতরেই আরও এক দারুণ সুবিধা বর্তমান।
আপনি এটি থেকে মাসিক পেনশন সুবিধাও নিতে পারবেন। তা হল EPS অর্থাৎ Employees’ Pension Scheme। আপনার নিয়োগকারীর অবদানের একটি অংশ অর্থাৎ এর পেনশনের টাকা আলাদাভাবে EPSএ যায়। এটি আপনার অবসরের পর পেনশনের সুবিধা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এটি আপনার পেনশনযোগ্য বেতন সহ নানান নিয়ম ও সূত্র মেনে নির্ধারিত হয়। এর সঙ্গে বাজারের কোনও সম্পর্ক নেই(The EPF pension calculator and Eligibility rules)।
EPS পেনশন কে পেতে পারেন?
কমপক্ষে ১০ বছর “পেনশনেবল সার্ভিস” করেছেন এমন ব্যক্তি। অর্থাৎ আপনি কত বছর EPS-এ অবদান দিয়েছেন, তার উপর নির্ভর করবে। সে চাকরি যতবারই পরিবর্তন করুন না কেন, PF তুলে না নিয়ে ট্রান্সফার করার আগে পর্যন্ত সব বছরের সার্ভিস এই পেনশন সার্ভিস-এ যোগ হবে। মনে রাখবেন কমপক্ষে ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরি জরুরি।
মনে রাখবেন, আপনি যদি ১০ বছরের পেনশনেবল সার্ভিস পূর্ণ না করে চাকরি ছেড়ে দেন বা প্রভিডেন্ট ফান্ড তুলে নেন, তাহলে পেনশন পাবেন না। বরং এককালীন টাকাটাই শুধু পেতে পারবেন।
EPS পেনশন কবে পেতে পারেন?
আপনি চাইলে ৫০ বছর বয়স থেকেই পেনশন পেতে শুরু করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে আপনার পেনশন অনেকটাই কমে যাবে। তাই চেষ্টা করুন ৬০ বছরের আগে পেনশন না তোলার।
পেনশন কীভাবে গণনা করা হয়?
EPS মাসিক পেনশন ফর্মুলা = (পেনশনেবল বেতন অর্থাৎ শেষ ৬০ মাসের গড় EPS-যোগ্য বেতন (মূল বেতন + ডিএ) × পেনশনেবল সার্ভিস) ÷ ৭০
যেমন: পেনশনেবল বেতন যদি ন্যূনতম ১৫০০০ টাকা হয়, আর ৩০ বছর সার্ভিস করে থাকেন, তাহলে মাসিক পেনশন হবে ৬,৪২৮ টাকা।
EPS পেনশন সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- EPS-এ মাসিক বেতন সর্বোচ্চ ১৫,০০০ টাকা ধরা হয়। তাই বেতন বাড়লেও পেনশন বাড়বে না।
- সার্ভিস করাকালীন কর্মী মারা গেলে তাঁর স্বামী/স্ত্রী + যোগ্য সন্তান পেনশন পাবেন।
- কর্মী অবসর নেওয়ার পরে মারা গেলে স্ত্রী বা স্বামী পেনশন পাবেন।
