Home পশ্চিমবঙ্গ এখন ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদনপত্র গ্রহণ করছে KMC!

এখন ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদনপত্র গ্রহণ করছে KMC!

KMC Opens Applications for Domicile Certificate
KMC Opens Applications for Domicile Certificate

KMC Opens Applications for Domicile Certificate: কলকাতা পৌরসংস্থা (KMC) স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন নেওয়া শুরু করেছে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার (SIR) জন্য যে ১৩টি নথি স্বীকৃত হয়েছে, এটি তার মধ্যে একটি। শহরের মানুষজন এস এন ব্যানার্জি রোডের কেএমসির প্রধান অফিস বা যেকোনো বরো অফিসে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন।

কলকাতা কালেক্টরেট- আবাসিক সার্টিফিকেট (domicile certificates) প্রদানের প্রধান অফিস

তবে, কলকাতা পৌরসংস্থা কিন্তু এই সার্টিফিকেট দেয় না। তাদের অফিসে জমা দেওয়া আবেদনপত্রগুলি রাইটার্স বিল্ডিংয়ের উল্টোদিকে কলকাতা কালেক্টরেটে (Kolkata Collectorate) পাঠানো হবে। এই কালেক্টরেটই হল কলকাতা পৌর এলাকাতে বসবাসকারীদের আবাসিক সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য সরকারের প্রধান অফিস। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের একজন বড় অফিসার।

KMCতে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কারণ

মেয়র ফিরহাদ হাকিম মঙ্গলবার বলেন, “কেএমসি সাধারণ মানুষের কাছে অনেক বেশি পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠান। এই সার্টিফিকেটগুলোর জন্য কোথায় আবেদন করতে হয়, তা অনেকে জানেন না। আমাদের বরো অফিস ও প্রধান অফিসে জমা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায়, মানুষজন বেশি দূরে না গিয়েই বাড়ির কাছে আবেদন করতে পারবেন।”

স্থায়ী বসবাসের সার্টিফিকেট কেন জরুরি

হাকিম আরও বলেন, “ভোটার তালিকা সংশোধনের শুনানির জন্য আবাসিক সার্টিফিকেট জরুরি হলেও, এর ব্যবহার শুধু ভোটের কাজের মধ্যেই আটকে থাকে না। বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের প্রায়ই এই সার্টিফিকেটের দরকার হয়। এছাড়া আরও নানা কারণে অনেকের এটা লাগতে পারে।”

কেএমসি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, কলকাতা কালেক্টরেট এই সার্টিফিকেট দেওয়ার আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন করানো হয়।

একজন অফিসার বলেন, “রাজ্য সরকার থেকে বলা হয়েছে, যাতে এই কাজ তাড়াতাড়ি করা হয়। যাতে মানুষজন খুব দ্রুত এই সার্টিফিকেট হাতে পান।”

১৬টি বরো অফিসের বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে (Bangla Sahayata Kendra) এবং কলকাতা পৌরসংস্থার প্রধান অফিসে এই ফর্ম জমা দেওয়া যাবে। এখানে আয়ের প্রমাণপত্র, অন্তত ছয় মাস ধরে বসবাস করছেন এমন প্রমাণপত্র এবং বিভিন্ন স্কলারশিপের জন্য দরকারি অন্যান্য কাগজপত্রও জমা নেওয়া হয়।

পৌরসভার আধিকারিকরা স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র (permanent residence certificates) এবং সাধারণ বসবাসের শংসাপত্রের (regular residence certificates) মধ্যে পার্থক্য বুঝিয়ে বলেন। তাঁরা বলেন, এই দুটির উদ্দেশ্য আলাদা।

জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা (JEE) ও NEET-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসার জন্য এই স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সার্টিফিকেট খুব দরকারি। কারণ, রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কিছু আসন বাংলার বাসিন্দাদের জন্য রাখা থাকে।

স্থায়ী আবাসিক শংসাপত্রের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত

রাজ্য সরকারের একজন বড় অফিসার জানান, স্থায়ী আবাসিক শংসাপত্রের জন্য রাজ্যে অন্তত ১৫ বছর ধরে বসবাস করতে হয়। আবেদন করার সময় গত ১৫ বছরে বসবাসের প্রমাণ হিসেবে কিছু কাগজ জমা দিতে হয়। এর মধ্যে থাকতে পারে কোনও স্কুলে বা কলেজে পড়ার তথ্য এবং বসবাসের ঠিকানা।

উল্লেখ্য, কলকাতা পৌরসংস্থা সোমবার থেকে এই ফর্ম নেওয়া শুরু করার আগে, কলকাতা কালেক্টরেটই ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে ফর্ম জমা দেওয়া যেত। রাজ্য সরকার দেখছে যে এই ফর্মের চাহিদা বাড়ছে। তাই মানুষের সুবিধার জন্য (KMC Opens Applications for Domicile Certificate) কলকাতা পৌরসংস্থাকে এই কাজে সাহায্য করতে বলা হয়েছে।

Exit mobile version