Home পশ্চিমবঙ্গ ভারত-ভুটান সীমান্ত সড়কের কাজ প্রায় শেষের পথে!

ভারত-ভুটান সীমান্ত সড়কের কাজ প্রায় শেষের পথে!

Kalimpong India Bhutan Border Road Construction
Kalimpong India Bhutan Border Road Construction

Kalimpong India Bhutan Border Road Construction: কালিম্পং জেলার ভারত-ভুটান সীমান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংযোগের কাজ প্রায় শেষ, শুধুমাত্র ১৪ কিলোমিটার অংশের জন্য বন বিভাগের ছাড়পত্র এবং জমি সংক্রান্ত কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি আছে। রবিবার দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা (Raju Bista) নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।

৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের গুরুত্ব- Kalimpong India Bhutan Border Road Construction

৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি এই অঞ্চলের নিরাপত্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নতি বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। চালসা-জলঢাকা-বিন্দু ব্যারেজ রোডটি বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) তৈরি করছে এবং এটি ভারত-ভুটান সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে।

একসময় ভুটানের নিজস্ব সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন উন্নত ছিল না, তখন ভুটানের নাগরিকরা এই রাস্তাটি ব্যবহার করত। জলপাইগুড়ি জেলার চালসা এবং কালিম্পং জেলার বিন্দু ব্যারেজ ভারতকে ভুটানের সাথে যুক্ত করে। জলঢাকা (Jhaldhaka) নদী দুটি দেশকে আলাদা করেছে।

২০১৭ সালে ডোকলামে অচলাবস্থার পর এই সড়ক সংযোগ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। চীন ডোকলামের বিতর্কিত এলাকায় রাস্তা তৈরি করতে গেলে ভারত ও চীনের মধ্যে ৭৩ দিনের সামরিক সংঘাত শুরু হয়।

প্রকল্পের জন্য ২০০ কোটি টাকার বরাদ্দ কেন্দ্রের

সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র সরকার ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। এই রাস্তাটি তৈরি হয়ে গেলে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সাথে সীমান্তবর্তী অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।”

প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি

কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পটি চারটি ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে খুনিয়া মোড় থেকে কুমানি মোড় পর্যন্ত ১১.৮৬ কিলোমিটার রাস্তার কাজ এই বছরের শুরুতেই শেষ হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপে কুমানি মোড় থেকে গাইরিবাস পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার রাস্তার উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

বাকি দুটি ধাপের মধ্যে গাইরিবাস থেকে পারেন পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এবং পারেন থেকে বিন্দু ব্যারেজ পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তার কাজ বন বিভাগের ছাড়পত্র এবং জমি সংক্রান্ত আইনি জটিলতার জন্য আটকে আছে।

রাজু বিস্তা আরও বলেন, “আমি বন বিভাগ ও বিআরও-র কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। তাঁরা আমাকে জানিয়েছেন যে ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করার চেষ্টা চলছে, যাতে কাজটি কোনও রকম বাধা ছাড়াই এগিয়ে যেতে পারে।”

Exit mobile version