Home খবর দেশ বিহারের কনিষ্ঠতম বিধায়ক! আলিনগর আসনে ঐতিহাসিক জয় মৈথিলী ঠাকুরের

বিহারের কনিষ্ঠতম বিধায়ক! আলিনগর আসনে ঐতিহাসিক জয় মৈথিলী ঠাকুরের

Folk Singer Maithili Thakur won a Historic the BJP
Folk Singer Maithili Thakur won a Historic the BJP

Folk Singer Maithili Thakur won a Historic the BJP: বিখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর তাঁর সাংস্কৃতিক প্রভাবকে রাজনৈতিক বিজয়ে রূপান্তরিত করেছেন, যা বিজেপি-র জন্য বিহারের আলিনগর আসনে একটি ঐতিহাসিক জয় এনে দিয়েছে। আসনটি ২০০৮ সালে গঠিত হওয়ার পর এই প্রথমবার বিজেপি আলিনগর থেকে জয়লাভ করতে চলেছে।

ঐতিহ্যবাহী বিহারী লোকসংগীত এবং ভক্তিমূলক গান পরিবেশনের মাধ্যমে যিনি সারা ভারতে পরিচিত, সেই ২৫ বছর বয়সী শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর (Maithili Thakur) আরজেডি-র বিনোদ মিশ্রকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। যদিও এখনও ভোট গণনা চলছে, তবে ১৪ রাউন্ড গণনা শেষে মৈথিলী উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। এই কারণে তিনি সম্ভবত রাজ্যের সবচেয়ে কম বয়সী বিধায়ক হতে চলেছেন।

মৈথিলী ঠাকুরের এই জয় (Folk Singer Maithili Thakur won a Historic the BJP) সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, কারণ এটি বিজেপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সাফল্য এবং সাংস্কৃতিক জগৎ থেকে নিজের যাত্রা শুরু করে জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথে এই ঘটনা তাঁর জীবনেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

পাশাপাশি এই অঞ্চলের সংস্কৃতির ঐতিহ্যের সাথে তাঁর গভীর সম্পর্ক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক তরুণ প্রজন্মের তাঁর প্রতি সমর্থন প্রথমবারের মত ভোটারদের প্রভাবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

২০০০ সালের ২৫শে জুলাই মধুবনীতে মৈথিলী ঠাকুর সঙ্গীতজ্ঞ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রমেশ ঠাকুর, যিনি একজন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ও শিক্ষক, তিনি ছোটবেলা থেকেই তাঁকে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। তাঁর মা পূজা ঠাকুর সংসার দেখাশোনা করেন। তিনি এবং তাঁর ভাই আয়াচি ও ঋষভ একসঙ্গে একটি মিউজিক্যাল ত্রয়ী হিসেবে গান পরিবেশন করেন, যা ভারতীয় লোক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।

প্রসঙ্গত, সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে মৈথিলী ঠাকুর জনপ্রিয়তা লাভ করেন, যেখানে তাঁর লোকসংগীত পরিবেশনা লক্ষ লক্ষ ভিউ পেয়েছে। ২০১৭ সালে তিনি রিয়েলিটি শো ‘রাইজিং স্টার’-এ অংশগ্রহণ করে প্রথম রানার-আপ হন। এই অর্জন ভারতীয় লোকসংগীতে একটি প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে তাঁর অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে, তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন এবং আলিনগর থেকে নির্বাচনে অংশ নেন, যেখানে তিনি তৃণমূল স্তরে যোগাযোগ এবং ডিজিটাল প্রচার এর মাধ্যমে ভোটারদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন। বিহারের অনেক মানুষের কাছে, তাঁর এই জয় তাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে মৈথিলী ঠাকুর কেবল আত্মবিশ্বাসের সাথে রাজনৈতিক অঙ্গনেই প্রবেশ করেননি, বরং মিথিলা অঞ্চলের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিজেপির জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

Exit mobile version