Home ব্যবসা সবচেয়ে কম কত টাকা দিয়ে SIP করা যায়, ইনভেস্টমেন্ট টিপস

সবচেয়ে কম কত টাকা দিয়ে SIP করা যায়, ইনভেস্টমেন্ট টিপস

Find out what the minimum investment in SIP is
Find out what the minimum investment in SIP is

Find out what the minimum investment in SIP is: আপনি কত বছরে নিজের তহবিল বাড়াতে চান, ঝুঁকি নেওয়ার ঠিক কতটা ক্ষমতা রয়েছে আপনার! বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনার মানসিকতা কী বলে, সবটা বিবেচনা করুন আগে। তারপর পর্যাপ্ত SIPর দিকে পা বাড়ান। এবার অনেকেই ভাবতে পারেন যে SIP শুরু করতে হলে ন্যূনতম কত টাকা খরচ করে করা যায়, তার উত্তরও পাবেন আজকের প্রতিবেদনে। 

SIP কী

SIP হল বিনিয়োগের একটি দুর্দান্ত মাধ্যম। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আপনি বহু টাকার মালিক হতে পারেন। তাও আবার রীতিমত ন্যূনতম বিনিয়োগ করেই লাভবান হওয়া যেতে পারে। মনে রাখবেন, SIP করতে হলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর নির্ধারিত পরিমাণ টাকা মিউচ্যুয়াল ফান্ডে জমা রাখতে হয়। কারণ নিয়মিত বিনিয়োগ করলে বাজারে ওঠানামার প্রভাবও কমে যাবে। 

ভারতে ন্যূনতম কত টাকা দিয়ে SIP করা যায়? Find out what the minimum investment in SIP is

ভারতের বেশিরভাগ মিউচ্যুয়াল ফান্ডে SIP শুরু করার ন্যূনতম পরিমাণ সাধারণত ৫০০ টাকা হয়ে থাকে। যদিও অনেকেই ১০০ টাকা দিয়েও SIP শুরু করতে পারেন, তবে তা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়ে থাকে। সাধারণত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নির্দিষ্ট স্কিমের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা পর্যন্ত SIP শুরু করা যায়। 

মনে রাখবেন, SIP-এর ন্যূনতম পরিমাণ স্কিমভেদে ভিন্নও হয়:

  1. ফান্ডের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয় SIP-এর ন্যূনতম পরিমাণ। ইকুইটি ফান্ড তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ,  ন্যূনতম SIP পরিমাণ বেশি থাকে। ডেট ফান্ড কম ঝুঁকিপূর্ণ, ন্যূনতম পরিমাণ অনেক সময় কম থাকে।
  2. ফান্ড হাউসের নিজস্ব নীতি অনুসারে, কখনও কখনও ন্যূনতম টাকা কমই চায়। আবার কিছু ফান্ড হাউস ন্যূনতম টাকা অনেকটাই বেশি চায়। 
  3. এবার সাধারণ ব্যক্তি না হয়ে, বিনিয়োগকারী যদি হাই-প্রোফাইল হন, তাঁর কোম্পানি থাকে, তাহলে বিনিয়োগের ন্যূনতম টাকা বেশি হয়।

ন্যূনতম টাকা দিয়ে SIP শুরু করার সুবিধা ও অসুবিধা 

সুবিধাঅসুবিধা 
কম টাকা দিয়েই নতুন বিনিয়োগকারীরা শুরু করতে পারেন।ন্যূনতম টাকার অংক খুব কম হলে তহবিল বড় হতে সময় বেশি লাগে।
নির্দিষ্ট সময় অন্তর নির্দিষ্ট অঙ্ক বিনিয়োগ আর্থিক শৃঙ্খলা গড়ে তোলে।প্রশাসনিক বা অন্যান্য চার্জ তুলনামূলক বেশি বোঝা লাগতে পারে।
ধীরে ধীরে বিনিয়োগ করায় বাজার ওঠানামার প্রভাব কম বোঝা যায়।অঙ্ক না বাড়ালে দীর্ঘমেয়াদে রিটার্ন সীমিত হয়ে যেতে পারে।
Exit mobile version