Home লাইফস্টাইল গাড়িতেই রয়েছে সুইমিং পুল-হেলিপ্যাড, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গাড়ি কোনটি

গাড়িতেই রয়েছে সুইমিং পুল-হেলিপ্যাড, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গাড়ি কোনটি

Discover Which is the Longest Car in the World
Discover Which is the Longest Car in the World

Discover Which is the Longest Car in the World: যদি আপনি মনে করেন যে একটি বিলাসবহুল গাড়ি কেবল একটি শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং কয়েকটি অনন্য ফিচার সহ তৈরি করা হয়, তাহলে এক মিনিট অপেক্ষা করুন। আজ, আমরা আপনাকে এমন একটি গাড়ি সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি যার মধ্যে পাঁচ তারা হোটেলে যা যা পাওয়া যায় তার সবকিছুই আছে।

এই গাড়িতে কেবল সোফার মতো আসন এবং একটি বিলাসবহুল বসার জায়গাই নেই, বরং একটি সুইমিং পুল, একটি জ্যাকুজি, একটি মিনি গল্ফ কোর্স এবং এমনকি একটি হেলিপ্যাডও রয়েছে। এই গাড়িটি কোনও সাধারণ গাড়ি নয়, বরং একটি মোবাইল হোম।

১০০ ফুট লম্বা গাড়ি বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে

আমরা এখানে যে গাড়িটির কথা বলছি তা “দ্য আমেরিকান ড্রিম” নামে পরিচিত। এটি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গাড়ির খেতাব ধারণ করেছে। এর দৈর্ঘ্য ১০০ ফুট এবং ১.৫ ইঞ্চি। এটি ১৯৮৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার বিখ্যাত গাড়ি ডিজাইনার জে ওহরবার্গ তৈরি করেছিলেন। মূলত ৬০ ফুট লম্বা, পরে এটিকে বর্তমান আকারে সম্প্রসারিত করা হয়েছিল, যা এটিকে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান দিয়েছে।

নকশা এবং বৈশিষ্ট্যগুলি আশ্চর্যজনকDiscover Which is the Longest Car in the World

এই সুপার লিমোজিনের নকশা অসাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কীর্তি প্রদর্শন করে। এটিতে ২৬টি চাকা রয়েছে এবং দুটি V8 ইঞ্জিন রয়েছে, একটি সামনে এবং অন্যটি পিছনে। গাড়িটিতে একটি সুইমিং পুল, ডাইভিং বোর্ড, জ্যাকুজি, বাথটাব, ওয়াটারবেড, মিনি গলফ কোর্স এবং হেলিপ্যাডের মতো সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। হেলিপ্যাডটি প্রায় ৫,০০০ পাউন্ড ওজনের একটি হেলিকপ্টার অবতরণ করতে সক্ষম।

৭৫ জনেরও বেশি লোকের আসন ধারণক্ষমতা

এই গাড়িটি কেবল লম্বাই নয়, অত্যন্ত প্রশস্তও। এটি একসাথে ৭৫ জনেরও বেশি যাত্রী বহন করতে পারে। এর ভিতরটা একটি বিশাল করিডোরের মতো, যেখানে টিভি, রেফ্রিজারেটর, টেলিফোন এবং অন্যান্য অনেক বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

এখানে দেখুন গাড়িটির ভিডিয়ো

প্রসঙ্গত, এই গাড়িটি সংস্কার করতে প্রায় আড়াই বছর সময় লেগেছে এবং ২৫০,০০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ২ কোটি টাকা) খরচ হয়েছে। আজও, গাড়িটি একই জাদুঘরে রয়ে গিয়েছে, যেখানে সারা বিশ্ব থেকে দর্শনার্থীরা এটি দেখতে আসেন। আসলে, গাড়িটির প্রথম মালিক এর ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। বছরের পর বছর এমনি পড়ে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে, মাইকেল ডেজার নামে একজন ধনকুবের এটি কিনেছিলেন এবং এটিকে তার পূর্বের গৌরব ফিরিয়ে দেন।

Exit mobile version