Centre extends Atal Pension Yojana till 2030-31: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০৩০-৩১ অর্থবছর পর্যন্ত অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে। অটল পেনশন যোজনা হলো ভারত সরকারের একটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, যা মূলত অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক ও সাধারণ নাগরিকদের বার্ধক্যের দিনগুলোতে আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
অটল পেনশন যোজনা আসলে কী?
এই প্রকল্পের মাধ্যমে আপনি আপনার কর্মজীবনে অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে ৬০ বছর বয়সের পর আজীবন নিশ্চিত মাসিক পেনশন পেতে পারেন।
- পেনশনের পরিমাণ: আপনার জমানো টাকার ওপর ভিত্তি করে আপনি মাসে ১,০০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশন পাবেন।
- সাফল্য: ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত দেশের প্রায় ৮.৬৬ কোটিরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন।
অটল পেনশন যোজনার সুবিধা কারা পান? Centre extends Atal Pension Yojana till 2030-31
মন্ত্রিসভা ২০৩০-৩১ সাল পর্যন্ত অটল পেনশন যোজনা (এপিওয়াই) অব্যাহত রাখার অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক এবং নিম্ন আয়ের ব্যক্তিরা এই প্রকল্পে আরও সাহায্য পাবেন।
- বয়স: আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে পারে।
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: একটি সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট অথবা পোস্ট অফিস সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক।
- আয়কর সংক্রান্ত নিয়ম: ১ অক্টোবর, ২০২২-এর নিয়ম অনুযায়ী—আপনি যদি একজন আয়কর দাতা (Income Taxpayer) হন বা অতীতে কর দিয়েছেন, তবে আপনি নতুন করে এই প্রকল্পে নাম লেখাতে পারবেন না।
MSME-দের জন্য সরকারের বড় উপহার
১. বিনিয়োগের পরিকল্পনা: তিন কিস্তিতে টাকা
এই ৫,০০০ কোটি টাকা সরকার একবারে না দিয়ে তিনটি ধাপে দেবে:
- ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে: ৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে: ১,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষে: ১,০০০ কোটি টাকা।
২. সস্তায় ঋণ পাবে ক্ষুদ্র শিল্প
এই টাকা পাওয়ায় SIDBI-এর হাতে অনেক বেশি পুঁজি আসবে। এর ফলে তারা খুব কম সুদে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে পারবে। যখন ব্যবসায়ীরা সস্তায় ঋণ পাবেন, তখন তারা তাদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন।
৩. ১.১২ কোটি নতুন কর্মসংস্থান
সরকারের হিসেব অনুযায়ী, এই বিনিয়োগের ফলে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লক্ষ নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি হবে। এটি বেকারত্ব কমাতে এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য উপার্জনের পথ তৈরি করতে বড় ভূমিকা রাখবে।
৪. সুবিধাভোগীর সংখ্যায় বড় লাফ
- বর্তমানে প্রায় ৭৬ লক্ষ ক্ষুদ্র শিল্প এই সহায়তা পায়।
- ২০২৮ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১ কোটি ২ লক্ষ।
- এর ফলে প্রায় ২৫ লক্ষ নতুন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন।
এই পদক্ষেপের ফলে কেবল বড় শহর নয়, গ্রামের ছোট ছোট ব্যবসাগুলোও চাঙ্গা হয়ে উঠবে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং স্থানীয় বাজারে কেনাবেচা বাড়বে।