Election Commission of India West Bengal Announce: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) পশ্চিমবঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকার দাবি ও আপত্তির উপর চলমান শুনানির সময় ভোটারদের পরিচয় প্রমাণ সংক্রান্ত বিষয়ে চারটি বিশেষ শ্রেণীতে ছাড় ঘোষণা করেছে। এই ছাড় রাজ্যের তিন-পর্যায়ের বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর দ্বিতীয় পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ ছাড় প্রাপ্ত ৪ শ্রেণী
এই চারটি শ্রেণী হল- উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ, যৌনকর্মী, ট্রান্সজেন্ডার বা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ এবং সন্ন্যাসী।
কেন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত?
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তার (সিইও) কার্যালয়ের একজন অভ্যন্তরীণ সূত্র শুনানির সময় এই চার শ্রেণীর ভোটারদের জন্য প্রযোজ্য ছাড়ের বিষয়ে জানান যে, কমিশন তাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্রের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ততটা কঠোর হবে না, যতটা সাধারণ ভোটারদের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
যৌনকর্মী ও ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের মানুষদের ক্ষেত্রে এই ছাড় দেওয়া হচ্ছে, কারণ এই জনগোষ্ঠীর বেশিরভাগ মানুষ সামাজিকভাবে ও পারিবারিকভাবে বিচ্ছিন্ন এবং ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্রের মালিকানা তাদের নেই।
সিইও অফিসের অভ্যন্তরীণ সূত্র আরও জানায় যে, ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের মানুষদের ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান সমস্যা রয়েছে- নামের অমিল, চেহারার অমিল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে লিঙ্গ অমিল। তাদের পুরনো নথি ও বর্তমান নথিতে এই অমিলগুলো দেখা যায়।
সিইও অফিসের অভ্যন্তরীণ সূত্রটি নিশ্চিত করে বলেন, “তবে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই চারটি শ্রেণীর ভোটার ব্যতীত অন্য কোনও শ্রেণীর ভোটারদের নথির সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে না।”
সন্ন্যাসীদের ক্ষেত্রে, তাদের পূর্বের জীবন ও সন্ন্যাস জীবনের নামের মধ্যে অমিল থাকে। তাই পরিচয় প্রমাণের নথির ক্ষেত্রে তাদেরও এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে।