Check the Benefits of PM Modi Vishwakarma Yojana: সরকার সমাজের শিল্পী এবং কারিগরদের উন্নতির জন্য একটি প্রকল্প নিয়ে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনাটির (PM Vishwakarma Yojana) কথা ঘোষণা করেন। এই নতুন যোজনা অনুসারে, মোদী সরকার শিল্পীদের ১৫,০০০ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।
কবে এবং কোথায় এই যোজনাটি শুরু হয়
শিল্পী ও কারিগরদের উৎসাহিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার এই নতুন প্রকল্পটি নিয়ে আসে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনাটি ২০২৩ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা) দ্বারকার ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সপো সেন্টারে এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।
এই স্কিমে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়- Check the Benefits of PM Modi Vishwakarma Yojana
- প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার অধীনে সকল শিল্পী ও কারিগরদের জন্য সরকার কিছু সুবিধা দিচ্ছে যেমন-
- প্রথম ধাপে, ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ- যার সুদের হার থাকবে ৫ শতাংশ।
- দ্বিতীয় ধাপে, ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে এবং সরকার এক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে সুদ ধার্য করবে।
- পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।
- এই প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রত্যেকদিন ৫০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।
- এছাড়াও, আধুনিক সরঞ্জাম কেনার জন্য শিল্পীদের ১৫,০০০ টাকা দেওয়া হবে।
- প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা সার্টিফিকেট ও পরিচয়পত্রও প্রদান করা হবে।
- প্রথম দফার ঋণের মেয়াদকাল ১৮ মাস পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় দফার ঋণের মেয়াদকাল ৩০ মাস পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
- রিফান্ডের ক্ষেত্রে, প্রতিটি ডিজিটাল লেনদেনের জন্য সরকার ১ টাকা করে প্রণোদনা (incentive of 1 rs) দেবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে কারা উপকৃত হন?
কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের আওতায়,
- মাছের জাল প্রস্তুতকারক,
- দর্জি,
- ধোপাখানা,
- মালা প্রস্তুতকারক,
- নাপিত,
- পুতুল এবং খেলনা প্রস্তুতকারক (ঐতিহ্যবাহী),
- ঝুড়ি বা মাদুর প্রস্তুতকারক,
- রাজমিস্ত্রি,
- মুচি (চামড়া তৈরির কারিগর) অথবা জুতা তৈরির কারিগর,
- ভাস্কর (ভাস্কর, পাথর খোদাইকারী),
- তাম্রশিল্পী,
- স্বর্ণকার,
- হাতুড়ি এবং সরঞ্জাম কিট প্রস্তুতকারক,
- কামার,
- নৌকা নির্মাতারা, এবং
- কাঠমিস্ত্রি-রা উপকৃত হবেন।
কীভাবে আর্থিক সহায়তা পাবেন?
প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনার আওতায় প্রথম পর্যায়ে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়। এই ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশের বেশি হবে না। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে, যোগ্য শ্রমিকদের প্রত্যেককে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয়। এছাড়াও, এই কারিগর ও শিল্পীদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা সার্টিফিকেট এবং পরিচয়পত্রও দেওয়া হবে। আধুনিক সরঞ্জাম কেনার জন্য ১৫,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে।
সুবিধা পাওয়ার শর্তাবলী
সরকার শ্রমিকদের জন্য এই প্রকল্পের অধীনে পাঁচ বছরের (২৪-২৮ অর্থবছর) জন্য ১৩,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ১৮ বছর। একটি পরিবার থেকে শুধুমাত্র একজন সদস্যই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। আবেদনকারীদের একটি স্ব-ঘোষণা পত্রও (self-declaration form) পূরণ করতে হবে।