What is the KFC franchise price in India & profit: ফাস্ট-ফুড ব্যবসার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে ভারতে। এই জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে KFC। বিখ্যাত এই ব্র্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি খুলে তাই আয়ও ভালোই করছেন বিজনেসম্যানরা। আপনিও করতে পারবেন। KFC বা Kentucky Fried Chicken গ্লোবাল ব্র্যান্ডের সঙ্গে কীভাবে নিজের নাম যুক্ত করে ভালো আয় করতে পারবেন, তার পুরো খুঁটিনাটি জানুন এখানে।
ভারতে KFC ফ্র্যাঞ্চাইজি খোলার জন্য খরচ কত? What is the KFC franchise price in India & profit
দেখুন, KFC সাধারণত দুই ধরনের আউটলেট অফার করে। ১০০০ থেকে ১৫০০ sq.ft জায়গার উপর Traditional Outlet (পূর্ণ রেস্তোরাঁ) ও সাধারণত কম জায়গার উপর Non-Traditional / Express Outlet। এবার লোকেশন যত ভালো হবে, খরচও তত বেশি হতে পারে। আয়ও বাড়বে। সেই অনুযায়ী খরচের হিসাব দেখে নিন।
খরচ
Traditional Outlet
Non-Traditional / Express Outlet
লাইসেন্স/ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি কত
৩৫ থেকে ৩৮ লক্ষ
৩৫ থেকে ৩৮ লক্ষ
ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ফি কত
লাইসেন্স খরচের সঙ্গে নেওয়া হবে
লাইসেন্স খরচের সঙ্গে নেওয়া হবে
রিয়েল এস্টেট ফি
৫০ লক্ষ থেকে ১.৫ কোটি
৩০ থেকে ৭০ লক্ষ
নির্মাণ এবং লিজহোল্ড ডেভেলপমেন্ট
জানা যায়নি
৩০ থেকে ৭০ লক্ষ
সরঞ্জাম, সাইনেজ, POS ফি
৪০ থেকে ৫০ লক্ষ
২০ থেকে ৩০ লক্ষ
স্টার্ট-আপ ইনভেন্টরি ফি
৮ থেকে ১২ লক্ষ
৮ থেকে ১২ লক্ষ
ভালো অ্যাডভার্টাইসমেন্ট
৫ থেকে ১০ লক্ষ
৫ থেকে ১০ লক্ষ
পারমিট/লাইসেন্স/সিকিউরিটি ডিপোজিট ফি
৫ থেকে ৮ লক্ষ
৫ থেকে ৮ লক্ষ
বীমা ফি
বলে দেওয়া হবে ব্র্যান্ডের তরফে
বলে দেওয়া হবে ব্র্যান্ডের তরফে
অন্যান্য খরচ
৫ থেকে ১০ লক্ষ
৫ থেকে ১০ লক্ষ
বাড়তি খরচ
১৫ থেকে ২৫ লক্ষ
১০ থেকে ২০ লক্ষ
মোট আনুমানিক বিনিয়োগ
১. ৬৪ কোটি থেকে ২.৪৫ কোটি
২ কোটি থেকে ৪ কোটি
ভারতে KFC ফ্র্যাঞ্চাইজি খোলার জন্য আবেদন করবেন করবে
আপনার কাছে ১ থেকে ২ কোটি বিনিয়োগের মতো আর্থিক সামর্থ্য থাকলে, যে জায়গায় দোকান খুলবেন, দেখবেন সেখানকার জনসংখ্যা অন্তত যাতে ১ লাখ হয় এবং কেনার মতো লোক থাকে। আপনার দোকানের লোকেশন কাছাকাছি অন্য কোনও KFC থেকে কমপক্ষে ২.৫ কিমি দূরে থাকতে হবে।
এবার আপনি KFC India ওয়েবসাইটে গিয়ে “Apply” বা “Contact Us” বিভাগে ক্লিক করে ব্যক্তিগত তথ্য ও ব্যবসায়িক তথ্যসহ পুরো ফর্মটি পূরণ করুন। ফর্মে জায়গার আকার (সাধারণত ১,০০০–১,৫০০ sq.ft), জায়গার ছবি, পার্কিং সুবিধা, সম্পত্তির মালিকানার প্রমাণ, ঠিকানা ও যোগাযোগ তথ্য সব উল্লেখ করুন।
আপনার আবেদন জমা দেওয়ার পর KFC আপনার যোগ্যতা যাচাই করে আপনাকে ফোন বা ইমেইল করবে। আপনার ব্যবসার জ্ঞান, যোগ্যতা ও আগ্রহ দেখার জন্য ইন্টারভিউ নিয়ে আপনার নির্বাচিত জায়গাটি ভিজিট করবে। জায়গাটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে মানানসই হলে শুরু হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।
নির্বাচিত হলে আপনাকে ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। এই চুক্তিটি সাধারণত ২০ বছরের জন্য করা হয়, পরে রিনিউ করতে পারবেন। তারপর আউটলেট খোলার আগে KFC আপনাকে ও আপনার টিমকে KFC হেডকোয়ার্টারে ৩ দিনের ট্রেনিং দেবে।
সব প্রস্তুতি শেষ হলে শুরু করুন নিজের KFC আউটলেট। প্রথমে একটি সফট লঞ্চ করে সব ঠিকভাবে চলছে কি না দেখে নিন। তারপর KFC-এর মার্কেটিংয়ের সাহায্যে গ্র্যান্ড ওপেনিং করুন। রমরমিয়ে ব্যবসা করুন।
মনে রাখার বিষয়
ভালো বিজনেস স্ট্রাটেজি না থাকলে এই বিজনেস করা কঠিন।
I am a passionate professional journalist, driven by the power of storytelling and the responsibility of truth. Journalism, to me, is more than a profession—it is a lifelong commitment to uncovering facts, amplifying voices, and holding power accountable.