Learn how to apply for e passport in India & benefits: ভারত সরকার দেশে একটি নতুন ই-পাসপোর্ট চালু করেছে। এই পাসপোর্টটি দেখতে পুরনো পাসপোর্টের মতোই, তবে এর ভেতরে একটি রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) চিপ থাকবে। এই চিপটি আপনার ছবি, বায়োমেট্রিক্স এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করবে।
বলে রাখি, সরকার পাসপোর্ট সেবা প্রোগ্রাম V2.0 এর অধীনে পুরো সিস্টেমটি আপডেট করছে।
কতটা সুবিধাজনক এই ই-পাসপোর্ট?
সরকার জানিয়েছে যে ই-পাসপোর্ট বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন চেকের সময় কমিয়ে দেবে। চিপ স্ক্যান করলে তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রীকে শনাক্ত করা যাবে। তাছাড়া, এই পাসপোর্টে বেশ কিছু নতুন নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে, যা পাসপোর্ট জাল করা কঠিন করে তুলবে।
ভারতে কে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
যে কোনও ভারতীয় নাগরিক ই-পাসপোর্ট পেতে পারেন। যে কোনও বৈধ পাসপোর্ট অফিস/PSK/POPSK-তে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বা এটি পুনরায় ইস্যু করার জন্য আবেদনকারীরাই যোগ্য হবেন। তবে পাসপোর্টের জন্য বুকিং করার সময় আপনার পছন্দের PSK/POPSK ই-পাসপোর্ট ইস্যু করে কিনা তা চেক করে দেখতে হবে।
ভারতে ই-পাসপোর্টের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? Learn how to apply for e passport in India & benefits
ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:
- অফিসিয়াল পাসপোর্ট সার্ভিস পোর্টালে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন বা লগইন করুন।
- নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বা পুরনো পাসপোর্ট পুনরায় রিইস্যু করার জন্য অনলাইন ফর্মটি পূরণ করুন।
- সঠিক ব্যক্তিগত বিবরণ দিয়ে আবেদনের জন্য এগোতে হবে আপনাকে। কোনও নথি যাতে ভুল না হয়।
- এবার পছন্দের পাসপোর্ট কেন্দ্র নির্বাচন করার সময় চেক করে দেখুন যে কেন্দ্রটি ই-পাসপোর্ট ইস্যু করে কিনা। পোর্টাল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্ক্রিন থেকেই তা জেনে যাবেন।
- সব দেখেশুনে অনলাইনে ফি পেমেন্ট করে PSK/POPSK-তে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
- যাচাইয়ের জন্য নথিপত্র নিয়ে নির্ধারিত সময়ে PSK/POPSK-তে গিয়ে আপনার বায়োমেট্রিক্স (আঙুলের ছাপ, ছবি) এবং ই-পাসপোর্ট চিপের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করুন।
- এবার পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হবে। যদিও mPassport পুলিশ অ্যাপ এবং অন্যান্য ডিজিটাল পদক্ষেপের ফলে এই ভেরিফিকেশনের সময় কমে গিয়েছে।
- অবশেষে ক্লিয়ারেন্সের পর, পাসপোর্ট প্রিন্টিং করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি আপনার বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো হবে।
পুরনো পাসপোর্টের কী হবে?
সরকার স্পষ্টভাবে বলেছে যে যাদের বর্তমানে পুরনো পাসপোর্ট আছে, তাদের পাসপোর্ট মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি বৈধ থাকবে। এরপর পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে এবং আপনি রিনিউ করার জন্য গেলে, একটি নতুন ই-পাসপোর্ট পাবেন।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে, দেশের কিছু প্রধান শহরে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু হয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে সারা ভারত জুড়ে এটি বাস্তবায়িত হবে। জানা গিয়েছে, ২০৩৫ সালের মে থেকে সমস্ত নতুন পাসপোর্ট ই-পাসপোর্ট হিসাবে ইস্যু করা হবে।